বিবরণ ও পরিচিতি
এদের বাসস্থান চিরহরিৎ ও আংশিক চিরহরিৎ বনাঞ্চল। অনেক সময় খোলা জায়গা, বাড়ির পিছনের দিকের উঠোন, ধান এবং পাথরের স্তূপের নীচে জলের কাছাকাছিও এদের দেখা যায়। ছোট কৃষ্ণ কালাচ চেনার প্রধান উপায় হলো এদের মেরুদন্ডের হেক্সাগোনাল আইশ। চোখ কুচকুচে কালো। শরীরের নীচের অংশ সাদাটে। হেক্সাগোনাল আইশ লম্বের দিকে চওড়া। এদের বিস্তৃতিঃ এটি বাংলাদেশে বিরল প্রজাতির একটি সাপ। বাংলাদেশের রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাগেরহাট এবং পিরোজপুর এলাকায় দেখার রেকর্ড আছে। কিছুদিন আগে ফরিদপুর এবং রাজবাড়ী এলাকায় লক্ষ্য করা যায়। অনুমান করা হচ্ছে, এ সাপটি ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, টাংগাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। সাপের কামড়ের স্থানটিতে দুটি দাগ দাগ থাকতে পারে। এ সাপের বিষদাঁত অনেক ছোট বিধায় কামড়ের দাগ বোঝা নাও যেতে পারে। এ সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যুর আশংকা অনেকবেশি। সাপে কামড়ের কয়েক ঘন্টার মধ্যে নিচের লক্ষনগুলো প্রকাশ পায়ঃ- ১. বমি হবে ২. প্রচন্ড পেট ব্যাথা করবে ৩. পাতলা পায়খানা হবে ৪. তন্দ্রাচ্ছন্নভাব ৫. চোখেরপাতা খুলতে না পারা ৬. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ৭. কথা বলতে কষ্ট হওয়া ৮. গলা শুকিয়ে যাওয়া ৯. মাথা সোজা করতে না পারা ১০. হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলা