🔴 অতি বিষধর সাপ Venomous

পাহাড়ি বোড়া (বাংলাদেশে সদ্য আবিষ্কৃত)

Ovophis monticola · Mountain Pit Viper

🚨 উদ্ধার আবেদন জানান 📞 জরুরি হটলাইন: 16263 🏥 অ্যান্টিভেনম হাসপাতাল
পাহাড়ি বোড়া (বাংলাদেশে সদ্য আবিষ্কৃত) (Mountain Pit Viper)
🔴 অতি বিষধর
পাহাড়ি বোড়া (বাংলাদেশে সদ্য আবিষ্কৃত) ছবি 2
পাহাড়ি বোড়া (বাংলাদেশে সদ্য আবিষ্কৃত) ছবি 3

এক নজরে পরিচিতি

বিষের ধরন মারাত্মক বিষধর
বৈজ্ঞানিক নাম Ovophis monticola
ইংরেজি নাম Mountain Pit Viper
প্রধান বাসস্থান শুকনো কাঠ, ঠান্ডা জায়গা, বনের ঝরাপাতার নিচে ও কাঠের স্তূপ।

বিবরণ ও পরিচিতি

এটিকে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মায়ানমার, চীন, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে দেখা যায়। অনেকের মত ছিল যে এটিকে বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং সিলেটের পাহাড়ি বনাঞ্চলে পাওয়া যেতে পারে, তবে বাংলাদেশে এটির অস্তিত্ব নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ ছিলোনা। সম্প্রতি বান্দরবানে এটির সুস্পষ্ট রেকর্ড পাওয়া গেছে। পাহাড়ি বোড়ার দেহ মোটাসোটা ধরনের, দেহের উপরিভাগ হালকা গাঢ় বাদামী বা হলদে-গোলাপী রঙের। মাথা ত্রিকোনাকৃতির (Triangular) এবং গাঢ় বাদামী। তুন্ড (Snout) ছোট, মাথার সামনে পিট অঙ্গ থাকে (ভাইপারিডি গোত্রের ক্রোটালিনী উপগোত্রের সাপেদের চোখ এবং নাকের মাঝামাঝি স্থানে একধরনের পিট বা ছিদ্র থাকে যা থার্মাল সেন্সরের মতো কাজ করে। এটি দ্বারা এই গোত্রের সাপেরা অবলোহিত রশ্মি শনাক্ত করতে পারে আর এই পিট সংবেদকের জন্যই মূলত এসব সাপকে পিট ভাইপার বলা হয়)। ঠোঁটে হালকা হলুদ বা বাদামী দাগ থাকে।দেহের অঙ্কীয়ভাগে প্রায় বাদামী বর্ণের দাগ থাকে।পাহাড়ি বোড়ার পুরুষ এবং স্ত্রী'দের আকারে পার্থক্য আছে। পুরুষরা প্রধানত ০.৫ মিটার এবং মহিলারা ১.১ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।

চেনার উপায় ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য

৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং বান্দরবানে ক্রেওকাডং এ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পাহাড়িবোড়া (Mountain Pitviper, Ovophis monticola) এর অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও বাংলাদেশে এর উপস্থিতি নিয়ে অনেক আগে থেকেও অনেক ধোঁয়াশা ছিলো। পাহাড়ি বোড়া (Mountain Pitviper) হচ্ছে ভাইপারিডি পরিবারভূক্ত এবং হেমোটক্সিন বিষ সমৃদ্ধ একটি বিষধর সাপ। এর অন্যান্য নামের মধ্যে আছে Chinese Mountain Pitviper/ Spotted Mountain Pitviper / Himalayan Mountain Pitviper ইত্যাদি।

বাসস্থান ও স্বভাব

বাসস্থান: শুকনো কাঠ, ঠান্ডা জায়গা, বনের ঝরাপাতার নিচে ও কাঠের স্তূপ।

স্বভাব: নিশাচর; রাতের বেলা ইনফ্রারেড থার্মাল সেন্সরের মাধ্যমে শিকার ধরে এবং স্ত্রী সাপ ডিম পাহারা দেয়।

⚠️ সাপে কামড়ালে জরুরি করণীয় ও বর্জনীয়

  • শান্ত থাকুন: আতঙ্কিত হবেন না, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখলে বিষ সহজে ছড়ায় না।
  • অঙ্গ নিশ্চল রাখুন: কামড়ের স্থান বা হাত-পা নাড়াচাড়া করবেন না। স্প্লিন্ট দিয়ে স্থির করুন।
  • টাইট বাঁধন দেবেন না: দড়ি বা তার দিয়ে শক্ত গিট দেবেন না, এতে অঙ্গ পচে যেতে পারে।
  • কাটাকাটি নিষেধ: কামড়ের স্থানে ব্লেড বা ছুরি দিয়ে রক্তপাত করাবেন না।
  • ওঝার কাছে যাবেন না: অবিলম্বে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা সদর হাসপাতালে যান।
সম্পূর্ণ ফার্স্ট এইড গাইড পড়ুন →
সাপ ও বন্যপ্রাণী - রেসকিউ বিডি
Google Play Google Play থেকে ফ্রি নামান ★ ৪.৯ রেটিং • সম্পূর্ণ বিনামূল্যে