এক নজরে পরিচিতি
বিষের ধরন মারাত্মক বিষধর
বৈজ্ঞানিক নাম Rhabdophis helleri
ইংরেজি নাম Heller's Red-necked keelback
প্রধান বাসস্থান নদী বা পুকুরের পাড়, ধানের ক্ষেত, চাষের জমি এবং পানির কাছাকাছি ভেজা জায়গা।
বিবরণ ও পরিচিতি
বিষাক্ত এবং বিষধর, এদের বিষ মূলত নেফ্রোটক্সিন, এরা রেয়ার ফ্যাং বিশিষ্ট সাপ, এদের দাত পেছনের দিকে থাকে। আর ঘাঁড়ের লাল অংশকে ধরা হয় এর বিষাক্ত স্থান হিসেবে। এ বিষ উৎপন্ন হয় মূলত বিষাক্ত ব্যাঙ আহারের ফলে
তবে বাংলাদেশেরে প্রেক্ষাপটে এর ঘাঁড়ের বিষের তেমন কোন বিষক্রিয়ার প্রভাব দেখা যায় নি।
এদের বিষগ্রন্থির নাম 'ডুভেরনয়জ গ্ল্যান্ড।'
পয়জন যেখানে জমা থাকে তাকে বলা হয় 'নিউচাল গ্ল্যান্ড।'
নেফ্রোটক্সিন বিষের প্রভাব কিডনি বিকাল করে দেয়।
দিবাচর সাপ।খাবারের সন্ধানে এদের দিনের বেলায় দেখতে পাওয়া যায়।
এদের শরীরের কালো এবং হলুদ জালিয়ার প্যাটার্ন থাকে, ঘাড়ের কিছুটা অংশ লাল, জুভেনাইল অবস্থায় এদের ঘাড়ে কালো একটা দাগ লক্ষ্য করা যায় যা বেড়ে উঠার সাথে সাথে সম্পূর্ণ মিলিয়ে যায়।
চেনার উপায় ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য
হরিণ জৌরো
/প্রাপ্তিস্থান:-বাংলাদেরশে চট্টগ্রাম, সিলেট,খাগড়াছড়ি,
মৌলভীবাজার বান্দরবান, রাঙামাটি, নেত্রকোনা, ফেঞ্চুগঞ্জ এ পাওয়া যায়।এছাড়াও ইন্ডিয়া,ইন্দোনেশিয়া,থাইল্যান্ড, মায়ানমার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, চীন, লাওস, শবে কম্বোডিয়া এসব দেশে।
মানুষের বাসস্থানের আশেপাশে, নদীর তীরে এবং পুকুরে, জলের কাছাকাছি, চাষকৃত এলাকা, বিশেষ করে ধানের ক্ষেতে পাওয়া যায়।
বাসস্থান ও স্বভাব
বাসস্থান: নদী বা পুকুরের পাড়, ধানের ক্ষেত, চাষের জমি এবং পানির কাছাকাছি ভেজা জায়গা।
স্বভাব: দিবাচর; শান্ত স্বভাবের হলেও রেগে গেলে গোখরা সাপের মতো ফণা তুলে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে।