সাপ চেনা ⏱️ 5 মিনিটের পাঠ 👁️ 380 বার পঠিত

বাংলাদেশের শীর্ষ বিষধর সাপ চেনার সহজ বৈজ্ঞানিক উপায়

বাংলাদেশে প্রায় ৮০ প্রজাতির সাপের মধ্যে মাত্র ৬-৭টি প্রজাতি মানবজীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। গোখরা, কেউটে, রাসেলস ভাইপার ও সবুজ বোড়া চেনার সহজ লক্ষণসমূহ জেনে নিন।

ওয়াইল্ডলাইফ রিসার্চ টিম
ওয়াইল্ডলাইফ রিসার্চ টিম
বাংলাদেশের শীর্ষ বিষধর সাপ চেনার সহজ বৈজ্ঞানিক উপায়

বাংলাদেশে প্রায় ৮০ প্রজাতির সাপ রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৬-৭টি প্রজাতি চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষধর। বাকি সব সাপ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী এবং কৃষকের পরম বন্ধু।

১. রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া (Russell's Viper):

রাসেলস ভাইপারের মাথা স্পষ্টভাবে চ্যাপ্টা ত্রিভুজাকার এবং ঘাড় থেকে পৃথক। শরীরের চামড়ায় তিন সারিতে কালচে-বাদামী গোল বা ডিম্বাকার চাকা চাকা দাগ থাকে যা চেইনের মতো দেখতে। এরা দ্রুত চলতে পারে না কিন্তু বিপদে পড়লে প্রেসার কুকারের মতো তীব্র হিসহিস শব্দ করে সতর্ক সংকেত দেয়।

২. কালাচ বা কমন ক্রেইট (Common Krait):

কুচকুচে চকচকে কালো বা কালচে-নীল রঙের শরীরে জোড়ায় জোড়ায় সাদা চিকন রিং থাকে। এদের বিষ অত্যন্ত তীব্র নিউরোটক্সিন কিন্তু এদের কামড়ে সাধারণত কোনো ব্যথা বা ফোলা হয় না। রাতের বেলা ঘুমানোর সময় বিছানায় মশারি টানিয়ে শোয়া কালাচের কামড় প্রতিরোধের প্রধান উপায়।

৩. গোখরা (Cobra):

গোখরা সাপ বিপন্ন বোধ করলে শরীরের সামনের এক-তৃতীয়াংশ সোজা উপরে তুলে ফণা বিস্তার করে। এদের ফণার পেছনে ইংরেজি 'U' বা চশমার ফ্রেমের মতো অথবা গোল চোখের মতো দাগ থাকে। এরা মূলত ইঁদুর শিকারে লোকালয় বা ধানের গোলায় আসে।

৪. সবুজ বোড়া সাপ (Green Pit Viper):

গাঢ় সবুজ রঙের শরীর, ত্রিকোণাকার মাথা এবং লেজের ডগাটি তামাটে বা লালচে রঙের হয়। এরা গাছের ডালে বা ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকে। এদের বিষ হেমোটক্সিক এবং কামড়ের স্থানে তীব্র ফোলা ও রক্তক্ষরণ হতে পারে।

ওয়াইল্ডলাইফ রিসার্চ টিম

ওয়াইল্ডলাইফ রিসার্চ টিম

বন্যপ্রাণী ও সরীসৃপ গবেষক দল, রেসকিউ বিডি।

সাপ ও বন্যপ্রাণী - রেসকিউ বিডি
Google Play Google Play থেকে ফ্রি নামান ★ ৪.৯ রেটিং • সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
⚕️ জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা

এই নিবন্ধের সকল তথ্য জনসচেতনতামূলক ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। সাপে কামড়ের ক্ষেত্রে অবিলম্বে নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা সরকারি জেলা সদর হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় নিবন্ধ

সবগুলো দেখুন →